আমার সাম্প্রতিক ফেসবুক এবং টুইটার পোস্ট-১

image_pdfimage_print

১.

চোর-ডাকাতেরা কথা বলে ফেরেশতাদের মত, সেটি বুঝা যায় শেখ মুজিবের অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়লে ও শেখ হাসিনার ব্ক্তৃতা শুনলে। অথচ এরাই দেশে চুরি-ডাকাতি, ভোট-ডাকাতি, গুম,খুন, সন্ত্রাস ও ফাঁসির রাজনীতির জনক। মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে এরাই গণতন্ত্রকে কবরে পাঠিয়েছে। এবং সত্য কথা বলাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধে পরিণত করেছে।

২.
A newly born baby had to die in an ambulance in the Indian state of Rajasthan for his parent’s Muslim identity. The pregnant mother was taken to a government hospital but was denied admission as she is Muslim. The baby was born inside the ambulance and later on, died. –(Source: Daily Anandabazar, 5.4.2020).

3.
ঈমানদারের লক্ষণ: তারা জান-মাল দিয়ে জিহাদ করে ও শরিয়তের প্রতিষ্ঠা দেয়।

ধর্ম ব্যবসায়ীদের লক্ষণ: এরা অর্থ দেয় না বরং অর্থ নেয়।এদের জীবনে শরিয়তের লক্ষে জিহাদ থাকে না, থাকে নিজ মত ও দলকে বড় করার লড়াই।

৪.
মুসলিমদের সংখ্যা ১৬০ কোটি। ১৬০কোটি গরু দুধ দিলে সাগর হয়ে যায়। ১৬০ কোটি গাছ ফল দিলে পাহাড় হয়ে যায়। অথচ ১৬০ কোটি মুসলিম কি দিচ্ছে? অথচ মুসলিমদের সংখ্যা যখন ১ কোটিও ছিল না তখন তারা বিশ্ববাসীকে সর্বশ্রেষ্ঠ সভ্যতা ও শিক্ষা দিয়েছ।

৫.
বুদ্ধিবৃত্তির লড়াই’য়ে জরুরী হলো কোনটি সত্য এবং কোনটি মিথ্যা সেটিকে জনগণের সামনে সুস্পষ্ট ভাবে তুলে ধরা। সে সাথে জনগণের চেতনায় বাড়াতে হয় মিথ্যার মাঝে সত্যকে চেনার ক্ষমতা। এবং জনগণকে অন্যায় ও মিথ্যার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মুজাহিদ রূপে খাড়া করা। পবিত্র কোর’আন এবং নবীজী (সা:)র সূন্নত তো সেটিই শেখায়।
৬.
জিহাদে শুধু অস্ত্রই জরুরী নয়, অতি জরুরী হলো বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই। নইলে রণাঙ্গণে বিজয় জুটেনা। বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ের মূল লক্ষ্যটি হলো জনগণকে ইসলামের শত্রুপক্ষের হাতিয়ার হওয়া থেকে বাঁচানো।

৭.
কোর’আনের আরেক নাম নূর তথা আলো। তাই যে কোর’আন বুঝলো তার জীবনে কখনোই অন্ধকার থাকে না। ফলে সে ব্যক্তি ধর্ম-ব্যবসায়ী ও ক্ষমতালোভী দুর্বৃত্ত রাজনীতিবিদদের ধোকায় পড়ে না। মনের অন্ধকার নিয়ে সঠিক পথ চেনা অসম্ভব। তাই কোর’আন চায় মনের অন্ধকার দূর করতে।

৮.
কোর’আনের আরেক নাম হিকমাহ। তাই দেয় গভীর প্রজ্ঞা। ফলে যে কোর’আন বুঝলো সে কখনোই বেওকুপের ন্যায় আচরন করে না। এবং রাজনীতির ময়দানে কোর’আনের জ্ঞানশূণ্য বেওকুপদের অনুসারীও হয় না।

৯.
কোর’আনের অন্য নাম হুদা -যা নানা ভ্রান্তপথের মাঝে সঠিক পথটি দেখায়। তাই যে কোর’আন বুঝে না -সে ব্যর্থ হয় জীবনের চলার পথে সঠিক পথটি খুঁজে পেতে।এরূপ পথহারাদের সারা জীবনের পথচলাটি  হয় জাহাননামের পথে। এরূপ পথভ্রষ্টরাই সেক্যুলারিস্ট, ন্যাশনালিস্ট, রেসিস্ট, স্বৈরাচারি রাজনীতির নেতাকর্মী হয়।

১০.
কোর’আনের আরেক নাম আয-যিকরা তথা স্মরণ। কোর’আনের পাঠ তাই স্মরণে আনে আল্লাহর মহিমা, করুণা ও তাঁর প্রতিটি মানবের দায়বদ্ধতার কথা। স্মরণে আনে রোজ-হাশরের বিচার দিন, জান্নাত ও জাহান্নামের কথা। তাই শ্রেষ্ঠ যিকর হলো অর্থ বুঝে কোর’আন তেলাওয়াত।

১১.
কোর’আনের আরেক নাম ফুরকান -যা সামর্থ্য দেয় কোনটি সত্য এবং কোনটি মিথ্যা এবং কোনটি ন্যায় এবং কোনটি অন্যায় সেটি বুঝার। তাই যে কোর’আন বুঝে না সে ব্যর্থ হয় সে সামর্থ্য অর্জনে। এরাই রাজনীতিতে দুর্বৃত্তদের পক্ষ নেয়।
১২.
কবিরা গুনাহ তথা সবচেয়ে বড় পাপ শুধু মানব হত্যা ও নারী ধর্ষণ নয়, বরং সত্য হত্যা ও মিথ্যার প্রচারও। এবং ভয়ানক পাপ হলো এ জীবনের বাঁচার এজেন্ডা থেকে ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা ও অন্যায়ের নির্মূলের ন্যায় জিহাদের ন্যায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টিকে দূরে রাখা। এতে সমাজ নানা রূপ অসভ্যতা ও দুর্বৃত্তিতে ভরে যায়।

১৩.
Like killing a man, killing truth & telling a lie are also great crimes. It is also the worst crime to keep the most important issue in lifelike eliminating the wrong & enacting the right out of the focus. Most people will enter the hellfire for these crimes, not for killing people.

১৪.
ভোট-ডাকাতদের কথা অন্যরা দূরে থাক খোদ শয়তানও বিশ্বাস করে না। কারণ শয়তান জানে তার অনুসারিরা কতটা মিথ্যাবাদী। তাই বিপদ হলো বাংলাদেশে কতজন করোনায় মারা যাবে সেটি আদৌ জানার উপায় নাই।

১৫.
চাকুরি নিয়ে কাজ না করলে কি চাকুরি থাকে? তেমনি ঈমানী দায়ভার পালন না করলে কেউ কি মুসলিম থাকে? সে দায়ভার কি শুধু নামায়-রোযা পালন? সেটি তো ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা এবং
অন্যায় নির্মূলের জিহাদ।

১৬.
In the name of re-education, the Chinese government is committing a terrible crime of forced de-Islamisation & cultural conversion of the Uighur Muslims. How such criminals get welcomed in any of the Muslim countries? How the friends of such criminals dare rule in any of the Muslim countries?

১৭.
মুসলিমগণ একে অপরের ভাই। এ ঘোষণাটি মহান আল্লাহর। তাই যার মধ্যে সে চেতনাটি নাই, বুঝতে হবে তার মধ্যে ঈমানও নাই।  নিজের ভাই বা বোনকে যদি হত্যা করা হয় বা জেলে রাখা হয় তবে প্রতিক্রিয়া কি হয়? চীন, ভারত, কাশ্মির, ফিলিস্তিন, মায়ানমারে মুসলিমদের সাথে কীরূপ বর্বরতা হচ্ছে সেটি তো গোপন বিষয় নয়। ভাই কোন মুসলিম কি নীরব বা নিষ্ক্রীয় থাকতে পারে? সেটি কি ঈমানের লক্ষণ?

১৮.
মরার ভয়ে বহু মানুষ বিবেকহীন পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট জীবে পরিণত হয়। বাংলাদেশে এমন পশুদের সংখ্যাটি যে বিশাল সেটিই প্রকাশ পাচ্ছে। পশুরা কা্‌উকে দাফনে বাধা দেয় না। বাধা দেয় না হাসপাতাল নির্মাণেও। অথচ পত্রিকায় প্রকাশ, বহু মানবরূপী পশুরা দল বেঁধে রাস্তায় নেমেছে। তারা করোনার রোগীকে গোরস্তানে দাফন করতে দিচ্ছে। করোনা রোগীর চিকিৎসার জন্য নিজ এলাকায় হাসপাতালও নির্মাণ করতে দিচ্ছে না।

১৯.
শয়তানের জিদ, আল্লাহর প্রিয় সৃষ্টি মানুষকে সে জাহান্নামে নিবেই। সে লক্ষ্যে দেশে দেশে কাজ করছে শয়তানের এজেন্টাগণ। শয়তানের এজেন্ডদের চেনার আলামত হলো: তারা বাঁধা দেয় জান্নাতের পথে চলায় তথা কোর’আন বুঝায় ও শরিয়ত পালনে। বাংলাদেশে তাই কোর’আনের তাফসির, ওয়াজ মহফিল ও জুম্মার খোতবার উপর নিয়ন্ত্রন বসিয়েছে। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে ইসলামী টিভি চ্যানেল। এবং শাস্তি যোগ্য অপরাধ হলো শরিয়ত প্রতিষ্ঠার জিহাদ। অপর দিকে অবাধ লাইসেন্স দেয়া হয়েছে শয়তানের এজেন্টদের। তাই ব্যাপক ভাবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে গুম, খুন, সন্ত্রাস, চুরি-ডাকাতি, ভোটডাকাতি ও ফাঁসির রাজনীতি।  

 

২০.
মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানোর আয়োজনটি বিশাল।এজন্য রয়েছে বহু হাজার হাসপাতাল। এটি ভাল দিক। কিন্তু অনন্ত কালের জাহান্নামের আযাব থেকে বাঁচানোর আয়োজনটি কই?এটি কি ভয়ানক বেওকুপি নয়?

২১.
অসভ্য সরকার জনগণকেও অসভ্য করে। ভারতে এতদিন মুসলিমদের হত্যা করে আসছে। এখন হামলা হচ্ছে ডাক্তার ও নার্সদের উপর। বাড়ীর মালিকেরা তাদেরকে বাড়ী ছাড়তে বাধ্য করছে। অথচ ইংল্যান্ডের জনগণ জানালায় দাঁড়িয়ে হাততালি দিয়ে ডাক্তারদের সাবাশ দিচ্ছে।

২২.
“অতএব আমাকে স্মরণ করো,আমিও তোমাদের স্মরণ করবো।এবং আমার প্রতি কৃতজ্ঞ হও এবং কাফের হয়ে যেয়ো না”-(সুরা বাকারা)। তাই আল্লাহর স্মরণে থাকা বা তাঁর আরজি পেশের জন্য কি কোন পীর বা মাওলানার দরকার আছে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *