Home •আন্তর্জাতিক
•আন্তর্জাতিক
গাজায় গণহত্যা এবং বৃহত্তর ইসরাইল নির্মানের গ্রান্ড স্ট্রাটেজী PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 27 July 2014 16:06

গাজায় গণহত্যা ও পাশ্চাত্যের সমর্থন

ইসরাইলের জন্মই শুধু নয়, অবৈধ এ দেশটির বেঁচে থাকাটিই পুরাপুরি পাশ্চাত্যনির্ভর। পাশ্চাত্যের সমর্থন নিয়েই গাজায় চলমান গণহত্যা আবার প্রমাণ করলো, মানবতা-শূণ্যতা শুধু ইসরাইলীদের একার নয়, সে রোগটি তাদেরও যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে বিশ্বকে। সে মানবতা-শূণ্যতাটির প্রকট অবস্থা আজ পাশ্চাত্য বিশ্বে। বিশাল একপাল হিংস্র ও ক্ষুদার্ত নেকড়ের কবলে পড়েছে গাজার নিরস্ত্র জনগণ। চলমান এ গণহত্যা থামানোর তেমন কোন আন্তরিক আন্তর্জাতিক উদ্যোগ নেই। গণহত্যার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দাও নেই। বরং পাশ্চাত্য দেশগুলি থেকে ইসরাইল পাচ্ছে লাগাতর সমর্থণ। তাদের কথা, হামাস ও অন্যান্য প্রতিরোধ সংগঠনগুলির নির্মূলে সর্বপ্রকার হামলার অধিকার রয়েছে ইসরাইলের। সে লক্ষ্য নিয়েই ৮ই জুলাই থেকে ইসরাইলীদের নতুন হামলা শুরু হয়। হামলা হচ্ছে ইসরাইলের স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে। ২৬ শে জুলাই অবধি এক হাজারের বেশী ফিলিস্তিনীকে তারা হত্যা করেছে। আহত করেছে বহু হাজার। লক্ষাধিক মানুষকে তারা ঘরছাড়া করেছে। আহত ও নিহতদের অধিকাংশই হলো শিশু ও নারী। হামলার শিকার হচ্ছে শুধু ফিলিস্তিনীদের শুধু ঘরবাড়ি ও দোকানপাটই নয়, মিজাইল নিক্ষেপ করা হচ্ছে মসজিদ, হাসপাতাল, স্কুল, আশ্রয় শিবির, জাতিসংঘের ত্রাণদফতরেরও উপরও।

Read more...
 
মিশরে সাম্রাজ্যবাদী স্ট্রাটেজী ও জিহাদী প্রতিরোধ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 11 August 2013 02:19

সাম্রাজ্যবাদের লক্ষ্য ও স্ট্রাটেজী

মধ্যপ্রাচ্যে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিবর্গের মূল লক্ষ্যটি হলো ইসরাইলের নিরাপত্তা বিধান ও তেল-সম্পদের উপর পূর্ণ দখলদারি। তবে সে লক্ষ্য পূরণে আরব বিশ্বকে ২২ টুকরোয় বিভক্ত রাখাটাই তাদের একমাত্র স্ট্রাটেজী নয়। বরং গুরুত্বপূর্ণ স্ট্রাটেজী হলো,ইরাক ধ্বংসের ন্যায় মিশরের মত গুরুত্ব আরব দেশগুলোকে আরো বিভক্ত করা,এবং সে বিভ্ক্ত টুকরোগুলোকে সামরিক ও অর্থনৈতীক ভাবে পঙ্গু করা ও ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করা। মিশরে আজ  সে প্রক্রিয়াই জোরে শোরে শুরু হয়েছে। সম্প্রতি তেমন একটি স্ট্রাটেজীর পক্ষে সাফাই পেশ করেছেন সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জারও। তিনি আরব দেশগুলোকে পুণরায় বিভিন্ন গোত্রভিত্তিক বিভক্তির পরামর্শ দিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যের শান্তির জন্য সেটিকে জরুরীও বলেছেন। তার সে স্ট্রাটেজীতে যেমন ইরাককে বিভক্ত করার পরামর্শ রয়েছে,তেমনি পরামর্শ রয়েছে সিরিয়া ও মিশরকে বিভক্ত করার। মিশরের খৃষ্টানগণ দেশের দক্ষিণাংশে তেমন একটি খৃষ্টান রাষ্ট্রের দাবীও করে আসছে। বিশ্বের অনেক দেশের সে বিভক্ত টুকরোগুলি স্বাধীন দেশরূপে গ্রহণযোগ্যতাও পাবে। কারণ সেগুলির আয়তন নিশ্চয়ই কাতার,কুয়েত,আবুধাবি,দুবাই বা বাহরাইনের চেয়ে ক্ষুদ্রতর হবে না।

Last Updated on Sunday, 11 August 2013 21:16
Read more...
 
ভারতে এত ধর্ষণ কেন? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 06 January 2013 14:06

রোগটি সংস্কৃতির

সুস্থ্যতার ন্যায় অসুস্থ্যতারও কিছু আলামত আছে। সুস্পষ্ট আলামত রয়েছে অসভ্যতারও। লক্ষ লক্ষ মানুষের রোগে-ভোগে অকাল মৃত্যু দেখে সহজেই বুঝা যায়,পানাহারে রোগজীবাণূর দূষন আছে। বুঝা যায়,চিকিৎসা-ব্যবস্থাই শুধু নয়,রোগ-প্রতিরোধ ব্যবস্থাটিও রোগাগ্রস্ত। দেশে কতটা কলকারখানা,রাস্তাঘাট,অস্ত্রশস্ত্র বা পারমাণবিক বোমা নির্মিত হল বা অর্থনীতিতে কতটা প্রবৃদ্ধি আসলো -তা দিয়ে কি সভ্যতার মান যাচাই হয়? সে বিচারটি হয় কতটা মানবিক গুণাবলি নিয়ে জনগণ বেড়ে উঠলো,কতটা ন্যায়বিচার ও শান্তি প্রতিষ্ঠা পেল,অপরাধ কতটা নির্মূল হলো,অপরাধীদের কতটা দ্রুত শাস্তি হলো -তা দিয়ে। আইন-আদালতহীন অসভ্য জংলি জীবন থেকে সভ্য সমাজের পার্থক্য তো এখানেই। শরীরের জ্বর নির্ণয়ে যেমন থার্মোমিটার,সভ্যতার মান বিচারেও এগুলি হলো মাপকাঠি। সে বিচারে ভারত যে দ্রুত পিছিয়ে যাচ্ছে,তা নিয়ে কি সন্দেহ আছে? মানুষের অমূল্য সম্পদ হলো তার ইজ্জত-আবরু ও সম্ভ্রম। এ সম্ভ্রম বাঁচাতে মানুষ যুদ্ধ করে,এমনকি প্রাণ দেয়।কোন দেশকে তো তখনই সভ্য বলা যায় যখন প্রাণের ন্যায় মানুষের সম্ভ্রমও নিরাপত্তা পায়। যেদেশে প্রতি বিশ মিনিটে একজন মহিলা ধর্ষিত হয়,এবং আইন-আদালত ব্যর্থ হয় ধর্ষণকারিকে শাস্তি দিতে -সে দেশকে কি সভ্য বলা যায়?

 

Last Updated on Sunday, 06 January 2013 14:21
Read more...
 
মিশরে সামরিক অভ্যুত্থান ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Tuesday, 09 July 2013 00:27

স্বৈরশাসকদের নেশাগ্রস্ততা

মদ-গাঁজা-হিরোইনে আসক্ত মাতালদের ন্যায় স্বৈরাচারি শাসকদেরও প্রচন্ড নেশাগ্রস্ততা থাকে। নেশা পুরণে তারা মাতালদের ন্যায় চরমপন্থাও অনুসরণ করে। লক্ষ্য,যে কোন ভাবে দেশের ক্ষমতায় থাকা। ক্ষমতায় থাকার জন্য ক্যু,হত্যা,গুম,জেল,নির্যাতন ও স্বাধীন মতামত প্রকাশের নাগরিক অধিকার হননের ন্যায় সবকিছুকেই তারা জায়েজ করে নেয়। জনগণকে ধোকা দিতে তারা নিজেদের নগ্ন ক্ষমতালিপ্সাকে আড়াল করে কখনো বা গণতন্ত্র,কখনো অর্থনৈতীক উন্নয়ন এবং কখনো বা আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার দোহাই দিয়ে। ফ্যাসিস্ট হিটলার, বাকশালী মুজিব এবং স্বৈরাচারি ইরশাদও তাই গণতন্ত্রি,প্রগতিবাদি ও দেশপ্রেমিক সেজেছিল। তেমনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দোহাই দিয়ে মাত্র এক বছর আগে নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে হটিয়ে দিয়ে ক্ষমতা দখল করে নিল মিশরের সেনাবাহিনী। জেনারেলগণ এখন বিপ্লবী সেজেছে। নিজেদের এ সামরিক অভ্যুত্থানকে বলেছে দ্বিতীয় বিপ্লব। তাদের দাবী তারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় নেমেছে। কিন্তু গণতন্ত্রের মূল কথা তো গণরায়ের প্রতি শ্রদ্ধা। সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে বন্দুকের জোরে অপসারণ ও তাঁকে কারারুদ্ধ করার মধ্য দিয়ে যা ঘটে তা তো গণতন্ত্রের কবর, প্রতিষ্ঠা নয়।

Last Updated on Wednesday, 10 July 2013 23:59
Read more...
 
প্রতিবিপ্লবের মুখে মিশরের বিপ্লব PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 01 July 2012 23:26

ষড়যন্ত্র প্রথম দিন থেকেই

কোন বিপ্লবই শত্রু-মুক্ত নয়। প্রতিটি বিপ্লবের পরই শুরু হয় প্রতিবিপ্লবের প্রবল প্রচেষ্টা। বিপ্লব ঘটে প্রতিষ্ঠিত একটি সরকারকে হটিয়ে। বিপ্লবের পর পরাজিত শক্তি ও তার দেশী-বিদেশী মিত্ররা কখনই নীরবে বসে থাকে না। কারণ, বিপ্লবের ফলে তাদের প্রতিষ্ঠিত কায়েমী স্বার্থ বিপদে পড়ে। ফলে সে স্বার্থ উদ্ধারের লক্ষ্যে প্রতিবিপ্লব শুরু হয় বিপ্লবের প্রথম দিনটি থেকেই। তাছাড়া যে স্বৈরাচারি হুসনে মোবারককে হটিয়ে মিশরে বিপ্লব সংঘটিত হলো সে ছিল ইসরাইল ও পাশ্চাত্যের অতি বিশ্বস্ত মিত্র। গাজায় যখন ইসরাইলী বাহিনী অতি বর্বর ভাবে ফিলিস্তিনীদের বিরুদ্ধে নিধনযজ্ঞ চালাচ্ছিল তখন সে হত্যাযজ্ঞ থেকে প্রাণ বাঁচাতে আসা ফিলিস্তিনীদের হুসনে মোবারক মিশরে ঢুকতে দেননি। মিশর সরকারের পক্ষ থেকে তারা কোনরূপ সহানুভূতিও পায়নি। তাঁর সে নির্মম আচরণটি পশ্চিমা মহলে সেদিন প্রচন্ড ভাবে প্রশংসিত হয়েছিল। তবে ইসরাইল ও পাশ্চাত্যের পক্ষে সে বর্বর খেলাটি হুসনী মোবারক সেদিন একা খেলেননি। তাঁর সাথে ছিল দেশের বিশাল প্রশাসন, সেনাবাহিনী, বিচারকবাহিনী, তাঁবেদার মিডিয়া ও হুসনে মুবারকের নিজ দলের বিশাল কর্মিবাহিনী। মুবারক আজ অপসারিত হয়েছে বটে তবে বাঁকিরা অক্ষত রয়ে গেছে। তাদের হাতে রয়ে গেছে বিপুল অর্থ ও সামরিক-বেসামরিক শক্তি। রয়ে গেছে দেশের বাইরে বিশাল বিদেশী মিত্ররাও। ফলে অভাব নেই সেদেশে প্রতিবিপ্লব ঘটাতে আগ্রহী হবে এমন লোকের।

 

Last Updated on Monday, 02 July 2012 10:11
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 Next > End >>

Page 1 of 6
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2017 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.