Home •আন্তর্জাতিক
•আন্তর্জাতিক
মায়ানমারে পরিকল্পিত রোহিঙ্গা নির্মূল PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Tuesday, 03 October 2017 18:55

নির্মূল-প্রক্রিয়া পৌঁছেছে চুড়ান্ত পর্যায়ে

রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে মায়ানমার সরকারের জিনোসাইড বা গণহত্যাটি কোন সাম্প্রতিক নৃশংসতা নয়। সেটি চলছে তিন দশকের বেশী কাল ধরে, এবং সুপরিকল্পিত এক ব্লু-প্রিন্টের অংশ রূপে। সম্প্রতি সেটি পৌঁছেছে তার চুড়ান্ত পর্যায়ে। বিশ্বের  শক্তিবর্গ এ ঘৃন্যতম জিনোসাইডকে বন্ধ করা দুরে থাক, নিন্দা করতেও ব্যর্থ হয়েছে। সেটিই প্রকাণ্ড ভাবে ধরা পড়েছে গত ২৮ই সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে। সে বৈঠকটি কোনরূপ সিদ্ধান্ত ও মায়ানমারের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব ছাড়াই শেষ হয়েছে। উক্ত বৈঠকে রোহিঙ্গাদের উপর হামলা ও তাদের নির্মূলের জন্য রাশিয়ার প্রতিনিধি মায়ানমারের সেনা চৌকির উপর রোহিঙ্গা আরাকান সালভেশন আর্মির হামলাকে দায়ী করেছে; এবং সমর্থন করেছে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে পরিচালিত মায়ানমার সরকারের সকল নৃশংসতাকে। সমর্থন জানিয়েছে চীনও। এহেন নব্য ফাসিস্টদের সমর্থন করছে ভারত ও জাপানের মত দেশগুলিও  -গণতন্ত্র নিয়ে যাদের প্রচণ্ড গর্ব। বিশ্বের প্রধান প্রধান শক্তিগুলি যে কতটা হৃদয়হীন, নীতিহীন ও নৈতীকতা শূণ্য -এ হলো তারই প্রমাণ। এরূপ নৈতীক শূণ্যতার কারণেই অতীতে এরা দু’টি বিশ্বযুদ্ধ, ভয়ানক গণহত্যা ও বর্ণবাদী নির্মূল উপহার দিয়েছে।

 

 

Last Updated on Tuesday, 03 October 2017 21:22
Read more...
 
নির্মূলের মুখে রোহিঙ্গা মুসলিমঃ পরিত্রাণ কীরূপে? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 23 September 2017 15:53

মুসলিম নির্মূল-প্রকল্প কেন আরাকানে?

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ আরাকান (বর্তমান নাম রাখাইন) থেকে রোহিঙ্গা মুসলিমদের নির্মূলের কাজটি এখন চুড়ান্ত পর্যায়ে। নির্মূল প্রক্রিয়ার শুরু আজ নয়, বহু পূর্ব থেকে। বার বার তাতে নতুন মাত্রা যোগ করা হয়েছে। সেটি যেমন ১৯৭৮, ১৯৮৪ ও ২০১২ সালে, তেমনি এ বছর ২০১৭। তবে এবারে সেটি সবচেয়ে তীব্রমাত্রা পেয়েছে। জাতিসংঘের হিসাব মতে গত মাত্র ৩ সপ্তাহে ৪ লাখ ২০ হাজারের বেশী মুসিলমকে তারা দেশ ত্যাগে বাধ্য করেছে। ইতিমধ্যেই অর্ধেকের চেয়ে বেশী মুসলিম গ্রামকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করা হয়েছে। রোহিঙ্গা মুসলিমদের নির্মূলই যে মায়ানমার সরকারের রাষ্ট্রীয় নীতি -সেটি এখন বিশ্ববাসীর কাছেও সুস্পষ্ট ভাবে ধরা পড়েছে। জাতিসংঘ মানবাধিকার সংস্থার প্রধান বলেছেন,  রোহিঙ্গা মুসলিমদের সাথে যা ঘটছে সেটি বর্ণগত নির্মূলের একটি “টেক্সবুক উদাহরণ”। যাদের আজ বহিষ্কার করা হচ্ছে তাদের নিজেদের জন্ম যেমন আরাকানে, তেমনি শত শত বছর ধরে সেখানে বসবাস করে আসছে তাদের পূর্ব পুরুষগণ। এরূপ স্থায়ী বাসিন্দাদের নির্মূলকরণের ন্যায় বর্বর কর্মকে জায়েজ করতে ১৯৮২ সালে আইন করে রোহিঙ্গা মুসলিমদের থেকে নাগরিকত্ব কেড়ে নেয়া হয়েছে।

Last Updated on Saturday, 23 September 2017 21:04
Read more...
 
মিশরে সাম্রাজ্যবাদী স্ট্রাটেজী ও জিহাদী প্রতিরোধ PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 11 August 2013 02:19

সাম্রাজ্যবাদের লক্ষ্য ও স্ট্রাটেজী

মধ্যপ্রাচ্যে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিবর্গের মূল লক্ষ্যটি হলো ইসরাইলের নিরাপত্তা বিধান ও তেল-সম্পদের উপর পূর্ণ দখলদারি। তবে সে লক্ষ্য পূরণে আরব বিশ্বকে ২২ টুকরোয় বিভক্ত রাখাটাই তাদের একমাত্র স্ট্রাটেজী নয়। বরং গুরুত্বপূর্ণ স্ট্রাটেজী হলো,ইরাক ধ্বংসের ন্যায় মিশরের মত গুরুত্ব আরব দেশগুলোকে আরো বিভক্ত করা,এবং সে বিভ্ক্ত টুকরোগুলোকে সামরিক ও অর্থনৈতীক ভাবে পঙ্গু করা ও ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করা। মিশরে আজ  সে প্রক্রিয়াই জোরে শোরে শুরু হয়েছে। সম্প্রতি তেমন একটি স্ট্রাটেজীর পক্ষে সাফাই পেশ করেছেন সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জারও। তিনি আরব দেশগুলোকে পুণরায় বিভিন্ন গোত্রভিত্তিক বিভক্তির পরামর্শ দিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যের শান্তির জন্য সেটিকে জরুরীও বলেছেন। তার সে স্ট্রাটেজীতে যেমন ইরাককে বিভক্ত করার পরামর্শ রয়েছে,তেমনি পরামর্শ রয়েছে সিরিয়া ও মিশরকে বিভক্ত করার। মিশরের খৃষ্টানগণ দেশের দক্ষিণাংশে তেমন একটি খৃষ্টান রাষ্ট্রের দাবীও করে আসছে। বিশ্বের অনেক দেশের সে বিভক্ত টুকরোগুলি স্বাধীন দেশরূপে গ্রহণযোগ্যতাও পাবে। কারণ সেগুলির আয়তন নিশ্চয়ই কাতার,কুয়েত,আবুধাবি,দুবাই বা বাহরাইনের চেয়ে ক্ষুদ্রতর হবে না।

Last Updated on Sunday, 11 August 2013 21:16
Read more...
 
গাজায় গণহত্যা এবং বৃহত্তর ইসরাইল নির্মানের গ্রান্ড স্ট্রাটেজী PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 27 July 2014 16:06

গাজায় গণহত্যা ও পাশ্চাত্যের সমর্থন

ইসরাইলের জন্মই শুধু নয়, অবৈধ এ দেশটির বেঁচে থাকাটিই পুরাপুরি পাশ্চাত্যনির্ভর। পাশ্চাত্যের সমর্থন নিয়েই গাজায় চলমান গণহত্যা আবার প্রমাণ করলো, মানবতা-শূণ্যতা শুধু ইসরাইলীদের একার নয়, সে রোগটি তাদেরও যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে বিশ্বকে। সে মানবতা-শূণ্যতাটির প্রকট অবস্থা আজ পাশ্চাত্য বিশ্বে। বিশাল একপাল হিংস্র ও ক্ষুদার্ত নেকড়ের কবলে পড়েছে গাজার নিরস্ত্র জনগণ। চলমান এ গণহত্যা থামানোর তেমন কোন আন্তরিক আন্তর্জাতিক উদ্যোগ নেই। গণহত্যার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দাও নেই। বরং পাশ্চাত্য দেশগুলি থেকে ইসরাইল পাচ্ছে লাগাতর সমর্থণ। তাদের কথা, হামাস ও অন্যান্য প্রতিরোধ সংগঠনগুলির নির্মূলে সর্বপ্রকার হামলার অধিকার রয়েছে ইসরাইলের। সে লক্ষ্য নিয়েই ৮ই জুলাই থেকে ইসরাইলীদের নতুন হামলা শুরু হয়। হামলা হচ্ছে ইসরাইলের স্থল, নৌ ও বিমান বাহিনীর পক্ষ থেকে। ২৬ শে জুলাই অবধি এক হাজারের বেশী ফিলিস্তিনীকে তারা হত্যা করেছে। আহত করেছে বহু হাজার। লক্ষাধিক মানুষকে তারা ঘরছাড়া করেছে। আহত ও নিহতদের অধিকাংশই হলো শিশু ও নারী। হামলার শিকার হচ্ছে শুধু ফিলিস্তিনীদের শুধু ঘরবাড়ি ও দোকানপাটই নয়, মিজাইল নিক্ষেপ করা হচ্ছে মসজিদ, হাসপাতাল, স্কুল, আশ্রয় শিবির, জাতিসংঘের ত্রাণদফতরেরও উপরও।

Read more...
 
মিশরে সামরিক অভ্যুত্থান ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Tuesday, 09 July 2013 00:27

স্বৈরশাসকদের নেশাগ্রস্ততা

মদ-গাঁজা-হিরোইনে আসক্ত মাতালদের ন্যায় স্বৈরাচারি শাসকদেরও প্রচন্ড নেশাগ্রস্ততা থাকে। নেশা পুরণে তারা মাতালদের ন্যায় চরমপন্থাও অনুসরণ করে। লক্ষ্য,যে কোন ভাবে দেশের ক্ষমতায় থাকা। ক্ষমতায় থাকার জন্য ক্যু,হত্যা,গুম,জেল,নির্যাতন ও স্বাধীন মতামত প্রকাশের নাগরিক অধিকার হননের ন্যায় সবকিছুকেই তারা জায়েজ করে নেয়। জনগণকে ধোকা দিতে তারা নিজেদের নগ্ন ক্ষমতালিপ্সাকে আড়াল করে কখনো বা গণতন্ত্র,কখনো অর্থনৈতীক উন্নয়ন এবং কখনো বা আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার দোহাই দিয়ে। ফ্যাসিস্ট হিটলার, বাকশালী মুজিব এবং স্বৈরাচারি ইরশাদও তাই গণতন্ত্রি,প্রগতিবাদি ও দেশপ্রেমিক সেজেছিল। তেমনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দোহাই দিয়ে মাত্র এক বছর আগে নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে হটিয়ে দিয়ে ক্ষমতা দখল করে নিল মিশরের সেনাবাহিনী। জেনারেলগণ এখন বিপ্লবী সেজেছে। নিজেদের এ সামরিক অভ্যুত্থানকে বলেছে দ্বিতীয় বিপ্লব। তাদের দাবী তারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় নেমেছে। কিন্তু গণতন্ত্রের মূল কথা তো গণরায়ের প্রতি শ্রদ্ধা। সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে বন্দুকের জোরে অপসারণ ও তাঁকে কারারুদ্ধ করার মধ্য দিয়ে যা ঘটে তা তো গণতন্ত্রের কবর, প্রতিষ্ঠা নয়।

Last Updated on Wednesday, 10 July 2013 23:59
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 Next > End >>

Page 1 of 6
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2017 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.