•স্যেকুলারিজম
বাংলাদেশে সেক্যুলারিস্টদের স্বৈরাচার ও দুর্বৃত্তি PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 02 May 2015 13:42

কান্ড নরপশুদের

বাংলাদেশে আজ যে সংকট ও দুর্বৃত্তি তার কারণ কোন দুর্বৃত্ত রাজা বা রাজতন্ত্র নয়। সামরিক স্বৈরাচারও নয়।ভূমিকম্প,সুনামী,মহামারি বা হিংস্র জীবজন্তুর তাণ্ডবও নয়।কৃষি,শিল্প বা অর্থনীতির ব্যর্থতাও নয়।এ বিপর্যয়টি নিতান্তই নৈতিক ও চারিত্রিক।এ কান্ড নরপশুদের।এ অসভ্য নরপশুদের কারণে বাংলাদেশের মাটিতে একটি সভ্য নির্বাচনও অকল্পনীয়।ফলে দেশ ধেয়ে চলেছে যুদ্ধাবস্থার দিকে। অথচ নির্বাচন অনুষ্ঠান চাঁদে মানুষ পাঠানো বা আনবিক বোমা আবিষ্কারের ন্যায় কঠিন কর্ম নয়। সেটি বাংলাদেশ সৃষ্টির ১৭ বছর আগে ১৯৫৪ সালে বাংলার মাটিতে সম্ভব হয়েছিল।নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যা অপরিহার্য তা হলো সৎ নিয়েত ও চরিত্র,অর্থ বা প্রযুক্তি নয়।নরপশুদের সেটি থাকে না। অর্থনৈতিক মন্দা,দুর্যোগ বা মহামারির নাশকতা যত বিশালই হোক তাতে কোন দেশ বা জাতি ধবংস হয় না।মানুষ তাতে মানবিক পরিচয় হারিয়ে পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট ইতর প্রাণীতে পরিণত হয় না।দেশের ললাটে তাতে কালিমা লাগে না। অথচ জাতীয় জীবনে ধ্বংস ও বিশ্বজোড়া অপমান নেমে আসে দেশবাসীর নৈতিক ও চারিত্রিক ব্যর্থতায়। মানবিক পরিচয় নিয়ে বেড়ে উঠা তখন অসম্ভব হয়।এমন দেশের পক্ষে দুর্বৃত্তিতে বিশ্বে বার বার প্রথম হওয়া যেমন সম্ভব হয়,তেমনি সম্ভব হয় দিনে-দুপুরে নারীর বস্ত্রহরন,শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণে সেঞ্চুরির ন্যায় বর্বরতা নিয়ে উৎসব।।বাংলাদেশে আজ তেমনি এক দেশ।

Read more...
 
বাংলাদেশে সেকুলারিজমের তান্ডব ও ইসলামি চেতনার বিপন্নদশা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 02 January 2011 12:12

বাংলাদেশ একটি মুসলিম দেশ রূপে পরিচিত হলেও, দেশটিতে যে চেতনা বা মতবাদটি বিজয়ী সেটি ইসলাম নয়। আইন রূপে যে বিধিমালা আদালতে প্রতিষ্ঠিত সেটিও আল্লাহর আইন নয়। ব্যবসা-বাণিজ্য, ব্যাংক-বীমা ও সাধারণ মানুষের প্রাত্যাহীক জীবনে যে আচার, রীতিনীতি বা সংস্কৃতিটি বিজয়ী সেটিও ইসলামী নয়। বাংলাদেশে বিজয়ী জীবনদর্শনটি হল সেকুলারিজম। তবে দেশটিতে  সেকুলারিজম যেভাবে ধর্ম-নিরপেক্ষতা বুঝাতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে শব্দটির প্রকৃত অর্থ তা নয়। সেকুলারিজমের এটি এক ভূল, বিভ্রান্তকর এবং সে সাথে প্রতারণামূলক ব্যাখা। ধর্ম নিয়ে সেকুলারিজম যেমন নীরব নয়, তেমনি নিরপেক্ষও নয়। সেকুলারিজমের আভিধানিক অর্থ হল ইহজাগতিকতা। এটি হল এমন এক বিশ্বাস বা চেতনা যা শিক্ষা, সাহিত্য, সংগঠন ও রাজনীতির ক্ষেত্রে ধর্মের কোন ভূমিকা ও প্রভাবকে স্বীকার করে না। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এ ক্ষেত্রগুলোকে তারা ধর্মশূণ্য দেখতে চায়, তাই রাজী নয় ধর্মের প্রবেশাধিকার দিতে। ব্যক্তি ও সমষ্ঠির জীবনে ধর্মের প্রভাবকে বলে সাম্প্রদায়িকতা।

Read more...
 
যে প্রতারণা ধর্মনিরপেক্ষতার নামে PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 01 January 2011 11:16

সেক্যিউলারদের দাবী, তারা ধর্ম-বিরোধী নয়। তারা নিরপেক্ষ। এটি অসত্য এবং নিছক এক প্রতারণা। এটি তাদের মূল লক্ষ্যকে আড়াল করার কৌশল। একটি মুসলিম দেশে ইসলাম বিরোধী প্রকল্পের মূল কথাটি খোলাখোলি বলার সাহস নাই বলেই তারা এরূপ নিরপেক্ষতার ভান করে। রাজনীতির ময়দানে এমন ছলনাকে তারা জায়েজও মনে করে। মুসলমানের সকল কর্ম ও ধর্ম পরাকালমুখি। পথচলায় প্রতিটি পদক্ষেপই ফেলা হয় মূল লক্ষ্যকে সামনে রেখে। যে পূব দিকে যায় সে কখনই তাই পশ্চিমে পা রাখে না। তেমনি অবস্থা তাই জীবনের আসল পথচলাতেও। আখেরাতমুখী মানুষের জীবনটি এজন্যই ইহজাগতিক মানুষ থেকে তাই ভিন্নতর হয়। এখানে সার্বক্ষণিক কাজ পরকালে সফল হওয়ার চেতনা।

Last Updated on Saturday, 01 January 2011 22:59
Read more...
 
সেক্যিউলারিস্টদের ইসলামবিরোধীতা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 01 January 2011 13:59

বাংলাদেশের সেক্যিউলার শক্তির মাঝে ইসলাম-ভীতি আজকের নয়, বরং শুরু থেকেই। শেখ মুজিবের মগজেও সে ভয় ছিল প্রচন্ড। ফলে আইন করে ইসলামী শক্তির উত্থানকে তিনি রহিত করেছিলেন। চিত্তরঞ্জন সুতারদের মত ভারতীয় দালাল-ঘাতকদের আওয়ামী টিকিটে তিনি এমপি বানিয়েছেন, কিন্তু লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশী মুসলমানদের তিনি সংগঠিত হতে দেননি। শুধু এ অপরাধে যে তাদের অঙ্গিকার ছিল ইসলামের প্রতি। তিনি দেশের নাস্তিক কম্যিুনিষ্ট, সমাজতন্ত্রি, জাতিয়তাবাদী, এমনকি পতিতাদেরও সংগঠিত হওয়ার অধিকার দিয়েছিলেন যাতে তারা নিজ নিজ কর্ম, নিজ আদর্শ ও নিজ দূষীত জীবববোধের প্রসারে আত্মনিয়োগের সুযোগ পায়। কিন্তু যারা ইসলামের বিজয় ও গৌরব বাড়াতে নিজেদের শ্রমদান ও আত্মদানকে অতি পবিত্র ও অলংঘনীয় ঈমানী দায়িত্ব মনে করেন তাদেরকে সে সুযোগ দেননি।

Last Updated on Saturday, 01 January 2011 14:15
Read more...
 
যে মহাবিপদ সেক্যিউলারিজমে PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Saturday, 01 January 2011 10:59

বাংলাদেশসহ প্রতিটি মুসলিম দেশে মুসলমানদের বড় বিপদ এ নয় যে মানুষ দলে দলে হিন্দু, খৃষ্টান বা বৌদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। বরং বিপদের মূল কারণ, সেক্যিউলারিজম ও অসংখ্য সেক্যিউলার প্রতিষ্ঠান। এগুলির মুল লক্ষ্য হলো জনগণের চেতনা থেকে পরকালের স্মরণকে দূর করা। এবং জীবনকে পার্থিব বা ইহকালমুখি করা। অথচ যারা মুসলমান তাদের সমগ্র জীবনই হলো পরকালমুখি। তাদের ধর্মকর্ম, রাজনীতি, সংস্কৃতি ও যুদ্ধবিগ্রহসহ সকল কাজকর্ম নিয়ন্ত্রিত হয় পরকালে জবাব দিতে হবে সে ভীতি থেকে। পার্থিব জীবনকে ভাবে পরকালীন কল্যাণ লাভে বিণিয়োগের ক্ষেত্ররূপে। ফলে পরকালের চেতনা লোপ পেলে তখন সে ধর্মে অঙ্গিকারশূন্য হতে বাধ্য। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও জীবনের অন্যান্য অঙ্গনে তখন প্রকাশ পায় ইহজাগতিকতা। ফলে ধর্মে অঙ্গিকারহীন হয় রাজনীতি। এজন্যই কোন মুসলিম দেশে সেক্যিউলারিজম প্রতিষ্ঠা পেলে ইসলামের চেতনা-বিনাশ অনিবার্য। তখন মানুষ পরিণত হয় নিছক ভোগবাদী জীবে।

Last Updated on Saturday, 01 January 2011 23:00
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 Next > End >>

Page 1 of 2
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2017 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.