Home •ইসলাম

Article comments

•ইসলাম
Downfall of the Muslims: A Review (Part-9) PDF Print E-mail
Written by Dr. Firoz Mahboob Kamal   
Tuesday, 06 June 2017 06:40

The mother of all crimes

Even the best and the most powerful law or constitution stands powerless and easily violated if there exists no powerful authority to enforce that. In absence of such an authority, even the most magnificent laws of Allah Sub’hana wa Ta’la stay defunct. In such a state, even the heart land of Islam go under the full occupation of the evil. The rule of the wicked then overwhelms. As a result, breaking laws and committing all sorts of crimes become the norm. Hence, along with the brutalities of the worst despots, thievery, robbery, killing, rape, cleansing of Islamic ideologies show terrible resurgence. Most of the Muslims countries are now ruled by such criminals. Because of them, the human rights and the rights to practise full Islam -with the Qur’anic basics like sharia, khialfa, hudud, shura, and jihad, lie in the death bed. And haram (forbidden) staffs like despotism, monarchism, fascism, nationalism, tribalism, adultery, riba (interest-based economy), gambling, and all sorts of obscenity receive new life.

 

Read more...
 
জিহাদ ও সন্ত্রাস PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 28 August 2016 14:10

সন্ত্রাসের নাশকতা ও ঈমানী দায়ভার

ঈমানদারকে শুধু হারাম-হালাল ও হিংস্র জন্তু-জানোয়ারদের চিনলে চলে না, চিনতে হয় সমাজের অতি হিংস্র সন্ত্রাসী জীবদেরও। চিনতে হয় কোনটি জিহাদ এবং কোনটি সন্ত্রাস। তাকে সঠিক ভাবে চিনতে হয় কোনটি মহান আল্লাহতায়ালার পথ, এবং কোনটি শয়তানের। কারণ, প্রতি সমাজে এরাই সন্ত্রাসের মূল নায়ক। মানব জীবনে সবচেয়ে গুরুত্পূর্ণ ও সবচেয়ে উপকারী হলো এই জ্ঞান। মানব সমাজে সবচেয়ে বড় অভাব এই জ্ঞানের। বাংলাদেশের ন্যায় মুসলিম দেশগুলিতে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা ডিগ্রিধারীদের সংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি সেরূপ জ্ঞানবানদের সংখ্যা। ফলে বাড়েনি সত্যকে চেনার সামর্থ্য। কোনটি জিহাদ এবং কোনটি সন্ত্রাস – তা নিয়ে গভীর অজ্ঞতার কারণে মানুষ তখন দলে দলে স্বৈরাচারী জালেম, কাফের ও ফাসেকদের পক্ষে ভোট দেয়, অর্থ দেয়, লেখালেখি করে, এমনকি যুদ্ধও করে। সে যুদ্ধে অনেকে প্রাণও দেয়। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমের দেশ এভাবে স্বৈরাচারী দুর্বৃত্তদের হাতে অধীকৃত হয়; এতে পরাজিত হয় ইসলাম; এবং বিলুপ্ত হয় শরিয়তী বিধান। তাদের মূল যুদ্ধটি মহান আল্লাহতায়ালার বিরুদ্ধে। ফলে তাদের বিজয়ে ব্যর্থ হয় মানব জাতিকে জান্নাতে নেয়ার মহান আল্লাহতায়ালার নিজস্ব প্রজেক্ট। মানব শিশুগণ তখন বেড়ে উঠে শয়তানের দলের নৃশংস সন্ত্রাসী রূপে। এমন অধিকৃত দেশ তখন দুর্বৃত্তি ও নৃশংস সন্ত্রাসে রেকর্ড গড়ে। শয়তানী শক্তির পক্ষে জানমালের এরূপ বিনিয়োগে সমাজে শান্তি আসে না, বরং যেটি সুনিশ্চিত হয় সেটি জাহান্নামের আযাব। পবিত্র কোর’আনে সে কঠোর হুশিয়ারীও বার বার এসেছে।

 

Last Updated on Sunday, 28 August 2016 23:40
Read more...
 
নিষিদ্ধ জিহাদ ও সন্ত্রাসীদের আন্তর্জাতিক কোয়ালিশন PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 31 July 2016 19:10

ঈমানদারের মিশন

একমাত্র বদ্ধ পাগল ছাড়া এ জীবনে সবাই নিজ নিজ লক্ষ্য ও মিশন নিয়ে বাঁচে। সেরূপ লক্ষ্য ও মিশনটি যেমন দুর্বৃত্ত বা সন্ত্রাসীর থাকে, তেমনি থাকে ঈমানদারেরও। মানুষ মূলতঃ বাঁচে সে মিশন পূরণের লক্ষ্যে; পানাহারের জন্য নয়। অলস ভাবে আমোদ-ফুর্তি নিয়ে বাঁচা যেমন মিশন হতে পারে, তেমনি হতে পারে বিশেষ একটি মহত্তর লক্ষ্যে নিজের জান, মাল ও সমুদয় সামর্থ্য বিলিয়ে দেয়া। সে লক্ষ্য ও মিশনটি নিজ খেয়াল-খুশিতে বেছে নেয়ার অধীকার কাফেরদের থাকলেও মু’মিনের নেই। মানব জীবনের সবচেয়ে বড় ভূলটি হয় জীবনের এজেন্ডা বা লক্ষ্য স্থির করায়। তাই হারাম-হালালের ন্যায় মানব জীবনে সবচেয়ে গুরুত্বপূ্র্ণটি এজেন্ডাটি সুনির্দিষ্ট করে দিয়েছেন খোদ মহান আল্লাহতায়ালা। পবিত্র কোরআনে মানব জীবনের সে মূল এজেন্ডাটি সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে এভাবে, “বলো (হে মুহাম্মদ) আমার নামায, আমার কোরবানী, আমার জীবন-ধারন ও আমার মৃত্যু জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর উদ্দেশ্যে। -(সুরা আন’আম, আয়াত ১৬২)। এ এজেন্ডা পূরণে মু’মিনের জন্য বেঁধে দেয়া মিশনটি হলো “আ’মারু বিল মারুফ ওয়া নেহী আনিল মুনকার”। অর্থঃ ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা ও  অন্যায়ের নির্মূল। সে মিশনটি আরো সুনির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে এভাবে, “তোমরাই হচ্ছো শ্রেষ্ঠ উম্মত, তোমাদের খাড়া করা হয়েছে সমগ্র মানব জাতির জন্য। এ জন্য যে, তোমরা প্রতিষ্ঠা করবে ন্যায়ের এবং নির্মূল করবে অন্যায়ের এবং ঈমান আনবে আল্লাহর উপর।” –(সুরা আল ইমরান, আয়াত ১১০)। বস্তুত এ মিশনটি নিয়ে বাঁচাই হলো প্রকৃত মুসলিম রূপে বাঁচা।

 

Last Updated on Saturday, 06 August 2016 08:58
Read more...
 
পরাধীনতার পরিণাম ও বেঈমানের স্বাধীনতার নাশকতা PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Sunday, 14 August 2016 00:05

স্বাধীনতা যখন নাশকতার হাতিয়ার

স্বাধীনতার রূপটি জনে জনে ভিন্নতর। বেঈমানের সে স্বাধীনতাটি আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে নাশকতার হাতিয়ার। বেঈমানের স্বাধীনতার অর্থ মিথ্যাচার, স্বৈরাচার, সন্ত্রাস, চুরি-ডাকাতি, ভোট-ডাকতি ও গণহত্যাসহ নানাবিধ দুর্বৃত্তি নিয়ে বাঁচার স্বাধীনতা। সেটি নিরস্ত্র মানুষের উপর পারমানবিক বোমা, রাসায়নিক বোমা, ব‌্যারেল বোমা, ক্লাস্টার বোমা, ড্রোন হামলা ও বিমান হামলার অবাধ স্বাধীনতা। সেটি দুর্বল দেশগুলির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ও অধিকৃত করার স্বাধীনতা। সাম্রাজ্যবাদী শক্তিবর্গ দেশে দেশে সে স্বাধীনতার প্রয়োগ করে চলছে বহুকাল যাবত। এরূপ বেঈমান জালেমদের হাতে দেশ অধিকৃত হওয়ার বিপদটি তাই ভয়াবহ। সমগ্র দেশ তখন দুঃসহ জেলখানায় পরিণত হয়। তখন নৃশংস পরাধীনতা জেঁকে বসে অধিকৃত দেশের জনগণের উপর। জালেমের স্বাধীনতা এভাবেই দুর্বলের জন্য ভয়াবহ পরাধীনতার কারণ হয়। ঔপনিবেশিক শাসনামলে ভারতের উপর সেরূপ স্বাধীনতার একচ্ছত্র মালিক ছিল সাম্রাজ্যবাদী ব্রিটিশগণ। ব্রিটিশ ডাকাতগণ তখন শাসকে পরিণত হয়েছে; এবং ভারতীয়গণ পরিণত হয়েছে নিছক গোলামে। ব্রিটিশদের লুন্ঠনের সে অবাধ স্বাধীনতায় তখন দেশে ছিয়াত্তরের মনন্তর এসেছে; যাতে মৃত্যু হয় বাংলার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নাগরিকের।

 

Last Updated on Sunday, 14 August 2016 11:53
Read more...
 
আধ্যাত্মিক বিপ্লব কেন ও কীরূপে? PDF Print E-mail
Written by ফিরোজ মাহবুব কামাল   
Friday, 10 July 2015 00:36

অপরিহার্য কেন আধ্যাত্মিক বিপ্লব?

“আধ্যাত্মিকতা” বলতে আমরা কি বুঝি? কেনই বা অপরিহার্য “আধ্যাত্মিক বিপ্লব”? এবং কীরূপে সম্ভব এ বিপ্লব? এরূপ বিপ্লব না হলেই বা ক্ষতি কি? এ প্রশ্নগুলো অতি গুরুত্বপূর্ণ।এবং অতিশয় গুরুত্বপূর্ণ হলো তাদের জন্য যারা কামীয়াব হতে চায় এবং মৃত্যুর পর জান্নাত পেতে চায়। “আধ্যান” শব্দের বাংলা আভিধানিক অর্থ হলো স্মরণ বা চিন্তন।“আধ্যাত্মিক” শব্দটির মাঝে “আত্মা”র সাথে মিশ্রণ ঘটেছে “আধ্যান” শব্দের।ব্যক্তির মনে মহান আল্লাহতায়ালার স্মরণে লাগাতর ধ্যানমগ্নতাই হলো আধ্যাত্মিকতা।আরবী ভাষায় মনের এরূপ অবস্থাকে বলা হয় যিকর। যিকরের মাঝেই আত্মার পুষ্টি। পশুর জীবনে সে যিকর থাকে না বলেই সে পশু। মানুষ পশু বা তার চেয়েও নীচু পর্যায়ে পৌঁছে যদি সে যিকর ও ফিকর না থাকে।এখানে ফিকরের অর্থ হলো গভীর চিন্তাশীলতা।আরবীতে এরূপ চিন্তাশীলতা বলা হয় তাফাক্কু,তায়াক্কুল ও তাদাব্বুর। নবীজী (সাঃ) চিন্তাশীলতাকে উচ্চমানের ইবাদত বলেছেন।পবিত্র কোরআনে আ’’ফালা তাফাক্কারুন,আ’’ফালা তাদাব্বারুন,আ’’ফালা তা’ক্বীলূন বলে সে চিন্তাশীলতায় বার বার তাগিদ দেয়া হয়েছে।

Last Updated on Friday, 10 July 2015 00:48
Read more...
 
<< Start < Prev 1 2 3 4 5 6 7 8 Next > End >>

Page 1 of 8
Dr Firoz Mahboob Kamal, Powered by Joomla!; Joomla templates by SG web hosting
Copyright © 2017 Dr Firoz Mahboob Kamal. All Rights Reserved.
Joomla! is Free Software released under the GNU/GPL License.